মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানার ফান্ড আত্মসাৎ করা হল, চুরি। 

ইসলামের দৃষ্টিতে চুরি কবিরা গুনাহ। এই চোরেরা ধর্মীয় কাজের নামে মানুষের দান-সদকা আত্মসাত করে।যে সব বক্তারা জনপ্রিয়তা অর্জন বা ওয়াজের মার্কেট ধরার স্বার্থে সত্যের সাথে মিথ্যার ও হকের সাথে বাতিলের সংমিশ্রণ ঘটায়, সত্য গোপন করে এবং ‘যেখানে যেমন সেখানে তেমন’ নীতি ধারণ করে ওয়াজ ব্যবসা করে তারাও ধর্ম ব্যবসায়ী ও প্রতারক। 

ওয়াজের নামে উদ্ভট স্বপ্ন ও কিচ্ছা-কাহিনী, বানোয়াট ফজিলতের ফুলঝুরি ও জাল-জয়ীফ হাদিস বর্ণনা, কলা কৌশলে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদে উস্কানি মূলক বক্তব্য, নির্দিষ্ট কোনো দল, মত বা তরিকার দিকে আহ্বানও জঘন্য ধর্ম ব্যবসা এবং ধর্মীয় অপরাধ। 

এসব বন্ধ করার জন্য যে কোনো সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগ সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। 

কিন্তু কুরআন ও সহিহ হাদিসের অকুণ্ঠ প্রচারক ও দুনিয়া বিমুখ নির্মোহী আলেমদের ‘ধর্মব্যবসায়ী’ ‘মৌলবাদী’ বা ‘বিশৃংখলা সৃষ্টি কারী’ আখ্যা দেওয়া চরম ইসলাম বিদ্বেষ ও বেয়াদবি ছাড়া কিছু নয়। মধু এবং বিষকে একাকার করে ফেলার। চেয়ে বড় অবিচার, বিদ্বেষ ও নির্বুদ্ধিতা আর কিছু হতে পারে না।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *